বার্বাডোস চেরি (Barbados Cherry)
যা অনেকেই Acerola Cherry নামে চেনেন, এক ধরনের গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ফল যা তার টক-মিষ্টি স্বাদ এবং স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য বিখ্যাত। ছোট্ট এই চেরির ভেতরে লুকিয়ে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন এবং পুষ্টিগুণ। বার্বাডোস চেরি ফল দেখতে যেমন আকর্ষনীয় গুনেও এগিয়ে।
গাছের বৈশিষ্ট্যআকার ও ধরন: এটি একটি ছোট থেকে মাঝারি আকৃতির গুল্মজাতীয় চিরসবুজ গাছ, যা সাধারণত ৬ থেকে ১২ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়।
পাতা: গাছের পাতাগুলো ছোট, ডিম্বাকৃতি, গাঢ় সবুজ ও চকচকে হয়।
ফুল: বসন্ত থেকে গ্রীষ্মকাল পর্যন্ত গাছে ছোট ছোট সুগন্ধযুক্ত হালকা গোলাপি বা সাদা রঙের ফুল ফোটে।
ফলন: ফুল ফোটার ৬০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যেই ছোট ছোট লাল রঙের ফল পাওয়া যায়। উপযুক্ত পরিবেশে বছরে কয়েকবার ফল ধরতে পারে।
ফলের বৈশিষ্ট্যচেহারা: ফলগুলো আকারে ছোট (১ থেকে ৩ সেন্টিমিটার ব্যাসের), দেখতে উজ্জ্বল লাল বা গাঢ় লাল রঙের হয়।গঠন ও স্বাদ: ফলগুলো খুবই নরম ও রসালো হয়। এর ভেতরের শাঁস রসালো, ত্বক পাতলা এবং স্বাদটি সাধারণত টক-মিষ্টি প্রকৃতির। প্রতিটি ফলের ভেতরে ৩টি বীজ থাকে।
উচ্চ পুষ্টিমান: এই ফলটি বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক উৎস। প্রতি ১০০ গ্রাম বার্বাডোস চেরিতে প্রায় ১০০০ থেকে ৪০০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকতে পারে।
অন্যান্য উপাদান: এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বিটা-ক্যারোটিন এবং ক্যালসিয়াম থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
ব্যবহারখাদ্য ও পানীয়: কাঁচা খাওয়ার পাশাপাশি এর টক স্বাদের কারণে জ্যাম, জেলি, শরবত ও জুস তৈরিতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।ত্বকের যত্ন: উচ্চ ভিটামিন সি থাকার কারণে এটি অ্যান্টি-এজিং বা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর জন্য প্রসাধনী শিল্পে ব্যবহৃত হয়।



Reviews
There are no reviews yet.